Header Ads

বিশ্বে কোন ধর্ম ও বিশ্বাসের কত অনুসারী

 

বিশ্বের মানুষ ধর্মের প্রতি ভিন্ন ভিন্ন বিশ্বাস ও আস্থায় জীবন পরিচালনা করে। এই বৈচিত্র্যময়তা আমাদের সংস্কৃতির সমৃদ্ধি প্রকাশ করে। প্রতিটি ধর্মের রয়েছে নিজস্ব দর্শন, নীতি, আচার ও অনুসারী। এই আর্টিকেলে আমরা জানব পৃথিবীর প্রধান ধর্মসমূহ ও তাদের বর্তমান অনুসারীর সংখ্যা এবং বিশ্বজুড়ে ধর্মীয় বিভাজন কীভাবে গঠিত হয়েছে।

পৃথিবীর প্রাচীনতম ধর্মের একটি জরথুস্ত্রীয় বা জরাথ্রুস্টবাদ বা জুরোস্ট্রিয়ানিজম। প্রায় চার হাজার বছর আগে পারস্যে (বর্তমান ইরান) এ ধর্মের যাত্রা শুরু হয়। এ ধর্মে এক ঈশ্বরের কথা বলা আছে। জরাথ্রুস্টবাদের অনুসারীসংখ্যা এখন হাতে গোনা। এভাবেই যুগে যুগে বিভিন্ন ধর্ম ও বিশ্বাসের আবির্ভাব ঘটেছে এবং মানুষ সে ধর্ম ও বিশ্বাসের অনুসারী হয়েছে। এখানে প্রধান প্রধান ধর্ম ও বিশ্বাসের অনুসারীর সংখ্যা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত তথ্য দেওয়া হলো: 

১. খ্রিষ্টধর্ম
অনুসারী সংখ্যা: ২.৩ বিলিয়ন (২৩% বিশ্ব জনসংখ্যা)
খ্রিস্টান ধর্ম বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধর্ম। এটি যীশু খ্রিস্টের শিক্ষা এবং বাইবেলের ওপর ভিত্তি করে গঠিত। খ্রিস্টানরা মূলত কাতলিক, প্রটেস্ট্যান্ট ও অরথডক্স নামে তিনটি প্রধান ধারায় বিভক্ত। বর্তমানে খ্রিষ্টধর্মের অনুসারীসংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বিশ্বজুড়ে প্রায় ২.৩ বিলিয়ন মানুষ এ ধর্ম অনুসরণ করেন। যা বিশ্বের জনসংখ্যার ২৩%। যিশুখ্রিষ্টের জীবন, শিক্ষা ও মৃত্যুর মধ্য দিয়ে খ্রিষ্টীয় প্রথম শতকে এ ধর্মের জন্ম ও বিস্তার শুরু হয়। অনুসারীর সংখ্যা বিবেচনায় এটি যেমন বিশ্বের সর্ববৃহৎ ধর্ম, তেমন ভৌগোলিকভাবে বিস্তারের দিক থেকেও এ ধর্মের প্রসার বেশি। এ ধর্মানুসারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ রোমান ক্যাথলিক গির্জাকে অনুসরণ করেন। রোমান ক্যাথলিকদের সর্বোচ্চ নেতা পোপ। এরপরই আছেন ইস্টার্ন অর্থোডক্স গির্জা ও প্রোটেস্ট্যান্ট গির্জার অনুসারীরা। খ্রিষ্টানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ বাইবেল।

২. ইসলাম ধর্ম
অনুসারী সংখ্যা: ১.৯ বিলিয়ন (২৪% বিশ্ব জনসংখ্যা)
ইসলাম ধর্মের প্রধান বিশ্বাস হল আল্লাহর একত্ববাদ এবং মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রেরিত বার্তা, যা কোরআনে সংকলিত। মুসলমানদের মধ্যে সুন্নি এবং শিয়া দুই প্রধান শ্রেণী রয়েছে। অনুসারীর দিক দিয়ে বর্তমানে পৃথিবীতে দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম ইসলাম। বিশ্বে প্রায় ১.৯ বিলিয়ন মানুষ ইসলাম ধর্মের অনুসারী। যা বিশ্বের জনসংখ্যার ২৪%। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) সর্বশেষ নবী ও রাসুল। ইসলাম আরবি শব্দ এর আক্ষরিক অর্থ আত্মসমর্পণ (আল্লাহর আদেশ–নির্দেশের কাছে নিজেকে সমর্পণ করা)। ইসলাম ধর্মের অনুসারীদের মুসলিম বলা হয়। ইসলাম ধর্মের মূল বক্তব্য, আল্লাহ হলেন একমাত্র স্রষ্টা এবং গোটা বিশ্বজগতের প্রতিপালক। তাঁর কোনো অংশীদার নেই। তিনি সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা ও রক্ষাকর্তা। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর বান্দা ও রাসুল। মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল কোরআন।

৩. ইহুদি ধর্ম
অনুসারী সংখ্যা: ১.৫৮ বিলিয়ন (২০% বিশ্ব জনসংখ্যা)
ইহুদি ধর্মাবলম্বীরা সংখ্যায় ছোট হলেও তাদের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক প্রভাব বিশ্বব্যাপী অনেক বেশি। বিশ্বের প্রায় ৯০% ইহুদি মাত্র দুই দেশে বসবাস করেন – ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রে। বর্তমানে সারা বিশ্বে এ ধর্মের অনুসারীসংখ্যা প্রায় ১.৫৮ বিলিয়ন। যা বিশ্বের জনসংখ্যার ২০%। ইহুদি জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল, তবে ইউরোপে (বিশেষ করে পূর্ব ইউরোপে) কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।

৪. সনাতন ধর্ম
অনুসারী সংখ্যা: ১.২ বিলিয়ন (15% বিশ্ব জনসংখ্যা)
হিন্দু ধর্ম পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন ধর্মগুলোর মধ্যে একটি। এটি বিশ্বাস করে পুনর্জন্ম, কর্ম এবং মোক্ষের ধারণায়। হিন্দু ধর্মের প্রধান দেবতা ব্রহ্মা, বিষ্ণু এবং শিবসহ অনেক দেবতা ও দেবী রয়েছে। হাজার বছরের বেশি পুরোনো ধর্মের একটি সনাতন ধর্ম। অনুসারীসংখ্যার দিক দিয়ে বিশ্বের তৃতীয় বৃহৎ ধর্ম এটি। বর্তমানে সারা বিশ্বে এ ধর্মের অনুসারীসংখ্যা প্রায় ১.২ বিলিয়ন। যা বিশ্বের জনসংখ্যার ১৫%। সনাতন ধর্মের উত্থান ভারতীয় উপমহাদেশে। বিভিন্ন দর্শন, বিশ্বাস ও বৈচিত্র্যময় আচার-অনুষ্ঠানের মিশেল দেখা যায় এ ধর্মে। উপমহাদেশ থেকে সনাতন ধর্ম ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বে। খ্রিষ্টীয় চতুর্থ শতকের দিকে দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ায় সনাতন ধর্মের ব্যাপক প্রভাব ছিল। অনেক পণ্ডিত মনে করেন যে সনাতন ধর্মের ঐতিহ্যের প্রাচীনতম উৎস সিন্ধু সভ্যতা থেকে এসেছে।

৫. অজ্ঞেয়বাদ ধর্ম
অনুসারী সংখ্যা: প্রায় ১.২ বিলিয়ন (১২-১৫% বিশ্ব জনসংখ্যা)                                                                               বিশ্বের মোট অজ্ঞেয়বাদীদের সংখ্যা নির্দিষ্টভাবে জানা কঠিন, কারণ এটি ধর্মীয় বিশ্বাসের সাথে সম্পর্কিত একটি ধারণা এবং অনেক ক্ষেত্রেই তারা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিবন্ধিত হন না। তবে, কিছু পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমানে সারা বিশ্বে এ ধর্মের অনুসারীসংখ্যা প্রায় ১.২ বিলিয়ন। যা বিশ্বের জনসংখ্যার ১২-১৫%। অজ্ঞেয়বাদ অর্থ হচ্ছে, কোনো বিষয় সম্পর্কে নিজেদের জ্ঞান না থাকার স্বীকারোক্তি। অজ্ঞেয়বাদীদের মতে, ঈশ্বর বা এ–সম্পর্কিত বিষয়াদি সম্পর্কে যেহেতু মানুষের হাতে কোনো বস্তুনিষ্ঠ প্রমাণনির্ভর জ্ঞান নেই, তাই এই বিষয়ে অজ্ঞেয়বাদীরা ধরে নেন যে তাঁরা কিছু জানেন না। তাই তাঁরা কোনো ঈশ্বরের প্রার্থনা না–ও করতে পারেন। আবার অনেক অজ্ঞেয়বাদী শক্তি এমনকি মানুষের আত্মায়ও বিশ্বাস করেন। 

৬. বৌদ্ধধর্ম
অনুসারী সংখ্যা: ৫২০ মিলিয়ন (৬% বিশ্ব জনসংখ্যা)
বৌদ্ধ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সিদ্ধার্থ গৌতম, যিনি পরবর্তীতে বুদ্ধ নামে পরিচিত। বৌদ্ধ ধর্মের মূল শিক্ষা হল দুঃখের কারণ এবং তার পরিত্রাণের পথ। বিশ্বে বর্তমানে প্রায় ৫২০ মিলিয়ন মানুষ বৌদ্ধধর্মের অনুসারী। যা বিশ্বের জনসংখ্যার ৬%। গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা থেকে বৌদ্ধধর্ম ও মতবাদ গড়ে উঠেছে। ভারতীয় ভূখণ্ডের উত্তরে বসবাস করতেন গৌতম বুদ্ধ। ভারত থেকে মধ্য ও দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়া, চীন, কোরিয়া ও জাপানে বৌদ্ধধর্মের বিস্তার ঘটে। এশিয়ার আধ্যাত্মিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক জীবনে বৌদ্ধধর্মের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে। বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে বৌদ্ধধর্ম পশ্চিমা বিশ্বেও বিস্তার লাভ করে। বৌদ্ধদের ধর্মীয় গ্রন্থের নাম ত্রিপিটক। গ্রন্থটি পালি ভাষায় লেখা। এটি মূলত বুদ্ধের দর্শন ও উপদেশের সংকলন। 

৭. চীনা লোকজ ধর্ম
অনুসারী সংখ্যা: প্রায় ৪০০ মিলিয়ন (৫% বিশ্ব জনসংখ্যা)                                                                                        চীনা লোকধর্মের প্রধান অনুসারীরা সাধারণত চীন এবং তার আশপাশের অঞ্চলগুলির মানুষ। তবে চীনা লোকধর্মের ধারণা ও প্রথাগুলি তাইওয়ান, হংকং, ম্যাকাও, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, এবং চীনের বাইরে বসবাসকারী চাইনিজ সম্প্রদায় এর মধ্যে বিস্তৃত। বিশ্বজুড়ে প্রায় ৪০০ মানুষ এ ধর্ম অনুসরণ করেন। যা বিশ্বের জনসংখ্যার ৫%। চীনা লোকজ ধর্ম ‘চীনা জনপ্রিয় ধর্ম’ নামেও পরিচিত। এ ধর্মকে একটি খালি বাটি হিসেবে বর্ণনা করা হয়, যা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত ও সর্বজনীন ধর্ম যেমন বৌদ্ধধর্ম, তাওবাদ, কনফুসীয়বাদ, চীনা সমন্বিত ধর্মের বিষয়বস্তু দিয়ে পূর্ণ হতে পারে। এ ধর্মে রয়েছে শেন বা আত্মা ও পূর্বপুরুষদের পূজা করা, দানবীয় শক্তি বর্জন এবং প্রকৃতির যৌক্তিক নিয়মে বিশ্বাস। এই ধর্মের অনুসারীরা বিশ্বাস করেন, মহাবিশ্বের ভারসাম্য ও বাস্তবতা মানুষ ও তাদের শাসকদের পাশাপাশি আত্মা ও দেবতাদের মাধ্যমে প্রভাবিত হতে পারে। 

৮. জাতিগত বা উপজাতীয় ধর্ম
অনুসারী সংখ্যা: প্রায় ৩০০ মিলিয়ন (৪% বিশ্ব জনসংখ্যা)                                                                                      এই ধর্মের অনুসারীরা প্রধানত আফ্রিকা, এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, এবং মাঝারি প্রাচ্য অঞ্চলের আদিবাসী বা উপজাতীয় জনগণের মধ্যে পাওয়া যায়। বিশ্বে বর্তমানে প্রায় ৫২০ মিলিয়ন মানুষ জাতিগত বা উপজাতীয় ধর্মের অনুসারী। যা বিশ্বের জনসংখ্যার ৪%। জাতিগত বা উপজাতীয় ধর্ম এমন একটি ধর্মবিশ্বাস, যা বংশগতির ধারণা ও একটি নির্দিষ্ট জাতিসত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত। জাতিগত ধর্মগুলো প্রায়ই সর্বজনীন ধর্ম থেকে আলাদা, যেমন ইসলাম কিংবা খ্রিষ্টধর্ম জাতিগত, জাতীয় বা বর্ণগত পরিধিতে সীমাবদ্ধ নয়। এসব ধর্মের অনুসারী সর্বজনীন। সারা বিশ্বে বহু জাতি বা উপজাতির মানুষ ছড়িয়ে আছেন। তাঁরা নিজ নিজ জাতিগত বিশ্বাসকে অনুসরণ করেন।
 
৯. নাস্তিকতা বা নিরীশ্বরবাদ ধর্ম
অনুসারী সংখ্যা: প্রায় ১.২ বিলিয়ন (১২-১৫% বিশ্ব জনসংখ্যা)                                                                                  এটি মূলত উন্নত দেশগুলোর মধ্যে বেশি দেখা যায়, যেখানে ধর্মীয় অনুভূতি ও আচার কম থাকে এবং বিজ্ঞান ও যুক্তি বেশি প্রাধান্য পায়। বিশ্বে প্রায় ১.২ বিলিয়ন মানুষ নাস্তিকতা বা নিরীশ্বরবাদ ধর্মের অনুসারী। যা বিশ্বের জনসংখ্যার ১২-১৫%। নাস্তিকতা এমন একটি ধারণা যা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক পটভূমিতে সময়ের সাথে বেড়েছে। নাস্তিকতা বা নিরীশ্বরবাদ এমন একটি বিশ্বাস, যেখানে কোনো ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব স্বীকার করা হয় না। পৃথিবীতে এমন মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়। 

১০. নতুন ধর্মবাদী (এশিয়ায় নতুন ধর্মীয় আন্দোলন)
অনুসারী সংখ্যা: প্রায় ৫৯ মিলিয়ন (১% বিশ্ব জনসংখ্যা)                                                                                          নিউ রিলিজিয়াস মুভমেন্ট (এনআরএম) একটি নতুন ধর্ম। এ ধর্মীয় বিশ্বাস বা আধ্যাত্মিক দলের জন্ম আধুনিক যুগে। এনআরএম নতুন ধর্ম হিসেবে বিবেচিত হতে পারে অথবা একটি বিস্তৃত ধর্মীয় বিশ্বাসের অংশ হতে পারে। অনেক এনআরএম অনুসারী দাবি করেন যে ধর্ম বলে কিছু নেই, সবই বৈজ্ঞানিক সত্য। বিশ্বে বর্তমানে প্রায় ৫৯ মিলিয়ন মানুষ নতুন ধর্মবাদী (এশিয়ায় নতুন ধর্মীয় আন্দোলন) ধর্মের অনুসারী। যা বিশ্বের জনসংখ্যার ১%। যদিও সংখ্যা সামান্য হলেও, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে অনেক ক্ষেত্রে এদের অসাধারণ প্রভাব ও গুরুত্ব রয়েছে। 

 ১১. শিখধর্ম
অনুসারী সংখ্যা: প্রায় ৩০ মিলিয়ন (০.৪% বিশ্ব জনসংখ্যা)                                                                                      পঞ্চদশ শতকের শেষ ভাগে ভারতীয় উপমহাদেশের পাঞ্জাব অঞ্চলে শিখ ধর্ম ও মতবাদ প্রতিষ্ঠা পায়। এ ধর্মের অনুসারীদের শিখ বলা হয়। শিখরা তাঁদের ধর্মীয় বিশ্বাসকে গুরমাত বলেন। গুরু নানক শিখ ধর্মের প্রতিষ্ঠা করেন। গুরু নানকের পর আরও নয়জন গুরু তাঁর উত্তরসূরি হয়েছেন। শিখ বিশ্বাস অনুযায়ী, এই ১০ মানবগুরুর সবাই একই আত্মা। বিশ্বে বর্তমানে প্রায় ৩০ মিলিয়ন মানুষ শিখ ধর্মের অনুসারী। যা বিশ্বের জনসংখ্যার ০.৪%।

উপসংহার
ইসলামের প্রবৃদ্ধি প্রধানত প্রজনন হার, তরুণ জনসংখ্যা ও কম ধর্মত্যাগের কারণেই। খ্রিস্টানদের অংশ নেমেছে, যদিও সংখ্যাও বেড়েছে, কারণ অন্যান্য ধর্ম ও ‘ননরিলিজিয়াস’ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে । ধর্মত্যাগের ধারা খ্রিস্টান ও বৌদ্ধদের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে, বিশেষ করে পশ্চিমে । উন্নয়নশীল অঞ্চল (সাব-সাহারান আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়া) ধর্মীয় বৃদ্ধির হটস্পট, যা ভবিষ্যতের পরিসংখ্যান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।



No comments

Powered by Blogger.