দোজোখে প্রথম প্রবেশকারী তিন ব্যক্তিঃ
দোজোখে প্রথম প্রবেশকারী তিন ব্যক্তিঃ
১)
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
“কিয়ামাতের দিন
সর্বপ্রথম যার
বিচার
করা
হবে,
সে
হচ্ছে
এমন
একজন
যে
শহীদ
হয়েছিল। তাকে
উপস্থিত করা
হবে
এবং
সে
বলবে,
আমি
আললাহর
পথে
যুদ্ধ
করেছি
এমনকি
শেষ
পর্যন্ত শহীদ
হয়েছি। তখন
আল্লাহ
তা'আলা বলবেন, তুমি
মিথ্যা
বলেছো।
তুমি
বরং
এ
জন্যেই
যুদ্ধ
করেছিলে যাতে
লোকে
তোমাকে
বলে,
তুমি
বীর।আল্লাহ নির্দেশ দেবেন
তাকে
উপুড়
করে
হেঁচড়িয়ে নিয়ে
যাওয়ার জন্য
এবং
জাহান্নামে নিক্ষেপ করার
জন্য।”
সুতরাং
একমাত্র আললাহর
পথ
ছাড়া
অন্য
কোন
কারনে
সেটা
দেশভাগের জন্যই
হোক
সরকারের আদেশ
মানার
জন্যেই
হোক
কেউ
যদি
মারা
যায়
আর
পৃথিবীর মানুষের কাছে
“বীরশ্রেষ্ঠ” সম্মাননা পুরস্কারও পায়
সে
“শহীদ”
হিসেবে
গন্য
হবে
না।
২)
নবী
সাঃ
বলেছেনঃ “তারপর
এমন
এক
ব্যক্তির বিচার
করা
হবে
যে
জ্ঞান
অর্জন
ও
বিতরণ
করেছে
এবং
কুরআন
মাজীদ
অধ্যয়ন করেছে।
তখন
তাকে
হাযির
করা
হবে।
আল্লাহ
তা'আলা তার প্রদত্ত নি’আমাতের কথা তাকে
বলবেন
এবং
সে
তা
চিনতে
পারবে
(এবং
যথারীতি তার
স্বীকারোক্তিও করবে)
তখন
আল্লাহ
তা'আলা বলবেন, এত
বড়
নি’আমাত পেয়ে বিনিময়ে তুমি
কী
করলে?
জবাবে
সে
বলবে,
আমি
জ্ঞান
অর্জন
করেছি
এবং
তা
শিক্ষা
দিয়েছি এবং
তোমারই
সন্তুষ্টি লাভের
উদ্দেশে কুরআন
অধ্যয়ন করেছি।
জবাবে
আল্লাহ
তা'আলা বলবেন, তুমি
মিথ্যা
বলেছো।
তুমি
তো
জ্ঞান
অর্জন
করেছিলে এজন্যে যাতে লোকে
তোমাকে
জ্ঞানী
বলে।
কুরআন
তিলাওয়াত করেছিলে এ
জন্যে
যাতে
লোকে
বলে,
তুমি
একজন
জ্ঞানী। নির্দেশ দেয়া
হবে,
সে
মতে
তাকেও
উপুড়
করে
হেঁচড়িয়ে নিয়ে
যাওয়া
হবে
এবং
জাহান্নামে নিক্ষেপ করা
হবে।”
সুতরাং
লোক
দেখানো
জ্ঞান
আর
ডিগ্রী
অর্জন
বা
জ্ঞান
বিতরন
নয়,
বরং
শুধুমাত্র আললাহর
সন্তুষ্টি লাভের
উদ্দেশ্যে জ্ঞান
অর্জন
বা
বিতরন
করা
উচিত।
অনেকে
পড়াশোনা করে
উচুঁ
পদে
চাকরি
পাওয়ার
জন্য।যদি জিজ্ঞাসা করেন
তাহলে
জবাব
দেবে
উচুঁ
পদে
চাকুরিজীবি হলে
মানুষ
বেশি
সম্মান
দেবে।
কিন্তু
আসলে
কি
মানুষ
মানুষকে সম্মান
করতে
পারে?
না!
আললাহ
সুরা
ফাতিরে
স্পষ্ট
বলে
দিয়েছেন সকল
সম্মান
শুধুমাত্র আললাহর
জন্য।
আপনি
মানুষের সাথে
সদ্ব্যবহার করতে
পারেন
কিন্তু
কোন
মানুষ
সম্মানের অধিকারী নয়!
আরেকটি
কথা
উল্লেখ
করতে
চাই
মুসলিম
সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে
মুসলমানদের বিদ্যালয়ে লেখাপড়া হওয়া
উচিত
ইসলামের নিয়ম অনুযায়ী। পার্থিব পরীক্ষা পাসের
জন্য
হিন্দু
রবীনদ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা
শেখানো
হয়
আর
আললাহর
নেয়া
পরীক্ষার জন্য
পাঠ্যপুস্তকে কেন
হাদিস
শেখানো
হয়
না?
এখন
অনেক
মুসলমান পরিবারের সন্তানরা ইহুদি
বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের জন্ম
তারিখ
ও
থিওরি
মুখস্ত
করলেও
জানে না কুরআন
আর
হাদিস
অনুযায়ী জীবনযাপনের নিয়ম।
আবার
কিছু
কিছু
পরিবার
পার্থিব পড়াশোনার জন্য
সন্তানদের এতটাই
চাপ
দেন
যে
এসএসসি
পরীক্ষা ফেল
করলে
কেউ
কেউ
আতনহত্যা করে
ফেলে!
মনে
রাখবেন
বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত করে
কিছুই
বলতে
পারে
না।
এক
বিজ্ঞানী আজকে
বলে
পৃথিবী
গোল
আর
আরেক
বিজ্ঞানী কালকে
বলে
পৃথিবী
চ্যাপটা আর
তা
ইদানীংকালের পাঠ্যপুস্তকে সংযোজন
করা
হয়।
সঠিক
জ্ঞান
আছে
একমাত্র আললাহর
কাছে
আর
আললাহ
যাকে
সে
জ্ঞান
দিতে
চায়
তার
কাছে।
বিজ্ঞানীদের বিভ্রান্তমূলক তথ্যের
জন্য
আজকে
অনেক
মুসলিম
পরিবারের সন্তানদের স্রষ্টায় প্রতি
বিশ্বাস কমে
গেছে।
সন্তান
আপনার
জন্য
আললাহর
আশীর্বাদবাদসরূপ। সন্তানকে আললাহর
পথে
নিতে
পারলে
আললাহর
পক্ষ
থেকে
আপনি
পাবেন
উপযুক্ত পুরস্কার আর
সন্তানকে বিপথগামী বা
পথভ্রষ্ট করলে
কেয়ামতের দিন
আপনাকে
জবাবদিহি করতে
হবে।
৩)
নবী
সাঃ
বলেছেনঃ “তারপর
এমন
এক
ব্যক্তির বিচার
হবে
যাকে
আল্লাহ
তা’আলা সচ্ছলতা এবং
সর্ববিধ বিত্ত-বৈভব দান করেছেন। তাকে
উপস্থিত করা
হবে
এবং
তাকে
প্রদত্ত নিআমাতসমূহের কথা
তাকে
বলবেন।
সে
তা
চিনতে
পারবে
(এবং
স্বীকারোক্তিও করবে)।
তখন
আল্লাহ
তা'আলা বলবেন, এসব
নি’আমাতের বিনিময়ে তুমি
কী
আমাল
করেছো?
জবাবে
সে
বলবে,
সম্পদ
ব্যয়ের এমন
কোন
খাত
নেই
যাতে
সম্পদ
ব্যয়
করা
তুমি
পছন্দ
কর,
আমি
সে
খাতে
তোমার
সন্তুষ্টির জন্যে
ব্যয়
করেছি।
তখন
আল্লাহ
তা'আলা বলবেন, তুমি
মিথ্যা
বলছে।
তুমি
বরং
এ
জন্যে
তা
করেছিলে যাতে
লোকে
তোমাকে
'দানবীর’
বলে
অভিহিত
করে।
তা
বলা
হয়েছে। তারপর
নির্দেশ দেয়া
হবে।
সে
মতে
তাকেও
উপুড়
করে
হেঁচড়িয়ে নিয়ে
যাওয়া
হবে
এবং
জাহান্নামে নিক্ষেপ করা
হবে।”
অনেকে
নিজেদের নামে
দান
করার
ফাউন্ডেশন খোলে
কিন্তু
উদ্দেশ্য থাকে
ট্যাক্স কম
দেয়া
বা
আয়কর
রিটার্ন বেশি
পাওয়ার
জন্য।
সুতরাং
সম্পদ
ব্যয়
করতে
হবে
আললাহর
পথে
এবং
তাঁর
সন্তুষ্টির লাভের
জন্যে।
কুরআনে
আললাহ
বলেছেন
“আমি
যা
দিয়েছি
তা
থেকে
ব্যয়
কর।”
আললাহ
আমাদের
ফল,
ফসল,
সোনা,
রূপ্য
দিয়েছেন। এখন
প্রশ্ন
হল
মানুষসৃষ্ট কাগজের
টাকার
নোট
(অসম
লেনদেনের মাধ্যম)
কি
দান
করার
জন্য
ব্যবহার করা
যাবে?
উওরটা
আপনি
নিজেই
নিজেকে
দেন!
.jpg)
No comments