❃একটি ঐশী ঘোষনা এবং হযরত খিজির (আঃ) ! হায় ২১শে মাহে রমজান !
একটি ঐশী ঘোষনা এবং হযরত খিজির (আঃ) ! হায় ২১শে মাহে রমজান !
এসেছিলেন তিনি পৃথিবীর সর্ব উচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন সর্বশক্তিমান আল্লাহর পবিত্র গৃহ কাবা থেকে । চলেও গেলেন তিনি আল্লাহর পবিত্র গৃহ মসজিদ থেকে !
“ – বলুন , আমি এরজন্য তোমাদের কাছে কোন পুরস্কার চাই না , শুধু আমার রক্তজ বংশধরদের প্রতি গভীর ভালবাসা ছাড়া – “ ।
»---➤ সুরা – শুরা / ২৩ ।
❃মহান আল্লাহর এই ছোট্ট চাওয়াটুকু আমরা দিতে প্রচন্ড কার্পন্য করলাম ।
দুচোখ বন্ধ করে সম্পূর্ন একাকী মনে নীচের কথাগুলো নিরপেক্ষ মন দিয়ে ভাবুন , প্লীজ । মানুষটি যে কয়টা দিন এই দুনিয়াতে ছিলেন - একটি দিনও কি আমরা মানুষটিকে একটু শান্তিতে থাকতে দিয়েছি ? স্বাভাবিক প্রস্থানটুকু মানুষটির কপালে জুটল না ! বিষাক্ত তরবারী দিয়ে মানুষটিকে খুন করে ফেললাম !
➛কি অপরাধ ছিল তাঁর ?
➛কি অন্যায় ছিল তাঁর ?
➛কারও অর্থ-সম্পত্তি আত্মসাত করেছিলেন ?
➛কারও নিকট থেকে ক্ষমতা ছিনতাই করেছিলেন ?
➛কারও উপর জুলুম , নির্যাতন করেছিলেন ?
➛কেউ কি তাঁর হাতে অন্যায়ভাবে খুন হয়েছিল ?
➛১৫০০ বছর পরিয়ে গেল । চরমতম শত্রুও এসব অভিযোগ করতে পারে নাই ।
" --- কি অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছিল ---?"
»---➤সুরা - তাকভীর / ৯ ।
❃২১শে রোজার দিনটিতে আমিরুল মুমিনিন মাওলা আলী (আঃ) শাহাদাত সম্পর্কে হযরত খিযিরের (আঃ) আলোড়ন সৃষ্টিকারী খুতবা I
❃আল্লাহর রাসুলের (সাঃ) সাহাবী ওসাইদ বিন সাফওয়ান বর্ণনা করেন-- ,
"--যেদিন আমির আল মুমিনিন মাওলা আলী ইবনে আবি তালিব (আঃ) শাহাদাতবরন করেন সেদিন কুফার সাধারন জনগণের মধ্যে তীব্র হাহাকার ও শোকের ছায়া নেমে আসে । দিনটি ছিল হুবহু সেইদিনের মত মহাশোকের দিন যেদিন রাসুল (সাঃ) শাহাদাতবরন করেন । বিষমিশ্রিত ঔষধ জোরপূর্বক সেবন করিয়ে রাসলকে (সাঃ) হত্যা করা হয় আর আজ আমির আল মুমিনিন মাওলা আলীকে (আঃ) সেজদারত অবস্থায় বিষাক্ত তরবারী দিয়ে হত্যা করা হয়--" ।
❃চরম শোকাহত জনতার মাঝে এক ব্যক্তি বিলাপ করতে করতে এসে "ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন" পাঠ করেন এবং প্রচন্ড কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন --
"--আজ এই মুহূর্ত থেকে রাসুলের (সাঃ) খেলাফত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে - যতক্ষণ না তিনি আমির আল মুমিনিনের (আঃ) ঘরে পৌঁছান I তারপর তিনি বললেন-- ,
❃হে আবুল হাসান (আঃ) !
"--আল্লাহ আপনার প্রতি রহম করুন । আপনি (আঃ) ছিলেন ইসলামের লোকদের মধ্যে অগ্রগণ্য , ঈমানের ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে সবচেয়ে আন্তরিক , নিশ্চিততায় (নিশ্চিন্তে) তাদের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র , সর্বশক্তিমান আল্লাহর সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশী ভীতু , দুঃখ-কষ্টে সর্বশ্রেষ্ঠ , মর্যাদায় সবচেয়ে উঁচু , নৈকট্যে রাসুলের (সাঃ) সবচেয়ে নিকটবর্তী , সঙ্গীদের মধ্যে সবচেয়ে বিশ্বস্ত , যোগ্যতায় তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ , অগ্রাধিকারের দিক দিয়ে তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ , মর্যাদায় সবচেয়ে উঁচু , রাসুলের (সাঃ) সবচেয়ে নিকটবর্তী , নৈতিকতা , চরিত্র ও কর্মে তাদের মধ্যে রাসুলের (সাঃ) সাথে সবচেয়ে বেশী সাদৃশ্যপূর্ণ , মর্যাদায় সবচেয়ে দয়ালু ও করুণাময় এবং আল্লাহর সামনে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী সম্মানীত । আল্লাহ আপনাকে (আঃ) ইসলাম , রাসুল (সাঃ) এবং মুসলমানদের ব্যাপারে আপনার (আঃ) প্রচেষ্টার মহান প্রতিদান দান করুন--" ।
❃হে আবুল হাসান (আঃ) !
"---যখন রাসুলের (সাঃ) সাহাবীরা নির্জীবতা , দুর্বলতা প্রদর্শন করে এবং যখন তারা পিছিয়ে যাচ্ছিল তখন আপনি (আঃ) সীসাঢালা প্রাচীরের মত অটল ছিলেন । আপনার (আঃ) উত্থান শত্রুর বিরুদ্ধে যখন সাহাবীরা অলসতা প্রদর্শন করে । আপনি (আঃ) রাসুলের (সাঃ) পথে আপনার (আঃ) জায়গায় অবস্থান করেছিলেন যখন অন্যরা ছিল অলস ও সংযত । আপনি (আঃ) রাসুলের (সাঃ) ধর্মসম্মত ও ন্যায়সঙ্গত খলীফা ছিলেন I আপনি (আঃ) মুনাফিকদের ধর্মহীনতা , কাফেরদের ক্রোধ , ঈর্ষান্বিতদের ঘৃণা এবং সীমালঙ্ঘনকারীদের শত্রুতার বিষয়ে অবিচল এবং অপ্রতিরোধ্য ছিলেন । আপনি (আঃ) তখন উঠেছিলেন যখন অন্যরা অলসতায় আঁকড়ে ধরেছিল , আপনি (আঃ) তখন মন্দের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলেন যখন অন্যরা বোবা হয়েছিল । আপনি (আঃ) আল্লাহর নূরের পথে হাঁটবেন যখন অন্যদের পা মাটিতে আটকে থাকবে । যদি তারা (আঃ) আপনার অনুসরণ ও আনুগত্য করত তবে তারা সৎপথে পরিচালিত হত--" ।
❃হে আবুল হাসান (আ:)!
"--আপনি (আঃ) ছিলেন লোকদের মধ্যে সবচেয়ে মৃদুভাষী , তাদের মধ্যে সবচেয়ে বিশিষ্ট , কথায় তাদের মধ্যে সবথেকে বেশি সংযত , বক্তৃতায় তাদের মধ্যে সবচেয়ে উপযুক্ত , মতের দিক থেকে তাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রবল , চেতনায় সবচেয়ে সাহসী , নিশ্চিন্তে (নিশ্চিততায়) দৃঢ় , কর্মে সর্বোত্তম এবং বিষয় সমূহে সবচেয়ে বেশী জ্ঞানী--" ।
❃আল্লাহর কসম !
"--আপনি (আঃ) ধর্মের জন্য নেতা ছিলেন । প্রথমে যখন লোকেরা বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়ে এবং তারপর যখন তারা অলস ও নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে । আপনি (আঃ) ছিলেন মুমিনদের জন্য একজন দয়ালু পিতা । যেহেতু তারা আপনার (আঃ) পরিবার ছিল । আপনি (আঃ) তাদের কাঁধ থেকে সেই বোঝা তুলে নিয়েছিলেন যা তারা বহন করার জন্য খুব কষ্টকর এবং দুর্বিষহ বোঝা মনে করেছিল । তারা যা অপব্যয় করেছিল আপনি (আঃ) তাদের রক্ষা করেছিলেন । যখন তারা বিচ্ছিন্ন ছিল তখন আপনি (আঃ) তাদের সুরক্ষিত করেছিলেন । যখন তারা একত্রিত হয়েছিল তখন আপনি (আঃ) তাদের সমর্থন করেছিলেন । যখন তারা আনন্দিত হয়েছিল তখন আপনি (আঃ) তাদের গ্রহণ করেছিলেন এবং যখন তারা আপনাকে বিক্ষুব্ধ করেছিল তখন আপনি (আঃ) ধৈর্য ধরেছিলেন । আপনি (আঃ) আপনার লক্ষ্য অর্জন করেছেন যখন তারা এটি থেকে বহুদূরে সরে গেছে । আপনার (আঃ) মাধ্যমে তারা এমন কিছু অর্জন করেছে যা তারা কল্পনাও করেনি--" ।
❃হে আবুল হাসান (আঃ) !
"---আপনি (আঃ) ছিলেন কাফেরদের জন্য সুস্পষ্ট আযাব এবং মুমিনদের জন্য প্রাচুর্য ও রহমতের বর্ষণ । আল্লাহ্র কসম ! আপনাকে (আঃ) উদার দানশীলতা অর্পণ করা হয়েছিল এবং আপনি (আঃ) অগ্রাধিকার পেয়েছিলেন এবং যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন । আপনার (আঃ) প্রমাণগুলি কখনই নিঃশেষ হয়নি । আপনার (আঃ) হৃদয় কখনও বিচ্যুত হয়নি । আপনার (আঃ) দৃষ্টি কখনও দুর্বল হয়নি । আপনি (আঃ) কখনও ভয়ের কারণে নতজানু হননি এবং আপনি (আঃ) কখনও বিশ্বাসের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেননি--" ।
❃হে আবুল হাসান (আঃ) !
"---আপনি (আঃ) ছিলেন সেই পাহাড়ের মত যেখানে শক্তিশালী বাতাস চলাচল করতে পারে নাই বা যাকে বিক্ষুব্দ হিংস্র ঝড় অস্থির করতে পারে নাই । আপনি (আঃ) ছিলেন নবী করিমের (সাঃ) মত যেমনটি রাসুল (সাঃ) বলেছিলেন , আপনার (আঃ) শরীর দুর্বল কিন্ত আল্লাহর ব্যাপারে দৃঢ় , ব্যক্তিত্বে বিনয়ী , সর্বশক্তিমান আল্লাহর সামনে সম্মানীত , জমিনে খ্যাতিমান , মুমিনদের সামনে মহিমাময় । এমনকি আপনার (আঃ) মধ্যে কোন ত্রুটির চিহ্নও ছিল না , কোন দাগও কখনও আপনার (আঃ) ওপর ছায়া ফেলেনি এবং লোভ ও লালসা কখনও আপনার (আঃ) ব্যক্তিত্বকে কলুষিত করেনি । দরিদ্র এবং অপমানিতরা আপনার সামনে শক্তিশালী ছিল যতক্ষণ না আপনি তাদের অধিকার ফিরিয়ে দেন I ক্ষমতাশালী এবং শক্তিশালীরা আপনার সামনে দরিদ্র এবং অপমানিত ছিল যতক্ষণ না আপনি তাদের কাছ থেকে অবৈধ সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (বাজেয়াপ্ত) করেন । সম্পর্কের দিক থেকে নিকটবর্তী এবং দূরবর্তী আপনার (আঃ) সামনে সমান ছিল--" ।
"--আপনার (আঃ) আচার-আচরণ , ব্যবহার ,অধিনায়কত্ব ছিল সত্যবাদী , সততা ও সহানুভূতিপূর্ণ । আপনার বক্তৃতা আপনার (আঃ) প্রজ্ঞা এবং নির্ণায়কতার প্রকাশ । আপনার (আঃ) ব্যাপার আপনার (আঃ) সহনশীলতা এবং সততা প্রদর্শন করেছিল । আপনার (আঃ) মতামত জ্ঞান এবং সংকল্প ছাড়া কিছুই ছিল না--" ।
"---আপনি (আঃ) ধর্মত্যাগ ও নীতি বিসর্জন উপড়ে ফেলেছিলেন । এর অসৎ, ক্ষতিকর , অশুভ পথ পরিষ্কার করেছিলেন এর অসুবিধাকে সহজে রূপান্তরিত করেছেন এবং এইভাবে এর আগুন নিভিয়ে দিয়েছেন । আপনার (আঃ) কারণে দ্বীন সঠিক হয়েছে এবং ইসলাম এবং আপনার (আঃ) কারণে ঈমানদাররা শক্তিশালী থেকে আরও বেশী শক্তিশালী হয়েছে । আপনি অনেক বেশী , বহুদূর এগিয়ে গেছেন । যা কোন মস্তিষ্ক তার সর্বোচ্চ , সর্বাত্মক কল্পনা শক্তি দ্বারা কল্পনা করতেও সক্ষম নয়--" I
❃হে আবুল হাসান (আঃ) !
"--আপনার (আঃ) পরে আমরা একটি তীব্র গ্লানি , ক্লান্তির সাথে আঁকড়ে আছি I আপনার (আঃ) জন্য বিষণ্ণতা হয় । আপনার (আঃ) শাহাদাত আসমানে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় । আপনার (আঃ) উপর ক্ষোভ মানুষকে ছিন্নভিন্ন করেছে । অতঃপর "আমরা আল্লাহরই এবং তাঁর দিকেই ফিরে যাব" । আমরা আল্লাহর হুকুম নিয়ে সন্তুষ্ট হই এবং আল্লাহর ব্যাপারে আত্মসমর্পণ করি । এবং আল্লাহর কসম ! ঈমানদাররা কখনও আপনার (আঃ) দুঃখের মত দুঃখে পতিত হবে না--" ।
"--আপনি (আঃ) ছিলেন মুমিনদের জন্য আশ্রয়স্থল এবং কাফেরদের জন্য কঠিন আযাব । অতঃপর আল্লাহ যেন আপনাকে (আঃ) তাঁর রাসুলের (সাঃ) সাথে একত্রিত করেন এবং তিনি যেন আমাদের থেকে আপনার (আঃ) রহমত ও পুরস্কার বন্ধ না করেন এবং আপনার (আঃ) পরে আমাদেরকে বিচ্যুত না করেন--"।
❃খুতবার এই পর্যায় এসে লোকটি তার বক্তৃতা শেষ না করা পর্যন্ত লোকেরা চুপ হয়ে থাকল । তারা সকলে এবং রাসুলের (সাঃ) সাহাবীদের সাথে কাঁদতে লাগলেন । এরপর তারা সাধারন জনতা লোকটিকে খোঁজার চেষ্টা করেও তাকে পায়নি । বলাই বাহুল্য যে , লোকটি আর কেউ নন - হযরত খিজির (আঃ) ছিলেন I
»---➤আমালি এ সাদুক (রাঃ) - খন্ড - ৪২ ।
❃একটি ঐশী ঘোষনা ।
আমির আল মুমিনিন মাওলা আলী ইবনে আবি তালিবকে (আঃ) যখন কুলাঙ্গার আবদুর রহমান ইবনে মুলজাম লানাতুল্লাহ আঘাত করল তখন হযরত জিবরাইলকে (আঃ) আসমান ও যমীনের মাঝখানে ঘোষণা করতে শোনা যায় - যা সে সময় প্রত্যেক জাগ্রত ব্যক্তি শুনতে পান -
"--আল্লাহর কসম !
হেদায়েতের স্তম্ভগুলো পতিত হয়েছে--" ।
"--আল্লাহর কসম !
আকাশের তারা এবং তাকওয়ার মানদন্ড মুছে ফেলা হয়েছে--" ।
"--আল্লাহর কসম !
আল্লাহর নির্ভরযোগ্য রশি বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে--" ।
"--মুহাম্মাদ আল মুস্তাফার (সাঃ) চাচাতো ভাইকে (আঃ) হত্যা করা হয়েছে--" ।
"--মুহাম্মদ আল মুজতবার (সাঃ) উত্তরসূরীকে (আঃ) হত্যা করা হয়েছে---" ।
"--আলী আল মুর্তজাকে (আঃ) হত্যা করা হয়েছে--" ।
❃আল্লাহর কসম !
"--উত্তরাধিকারীদের প্রধানকে (আঃ) হত্যা করা হয়েছে ।
তাঁকে (আঃ) যে হত্যা করেছে সে হল সবচেয়ে হতভাগা লানাতুল্লাহ--" ।
»---➤ বিহার আল আনোয়ার , খন্ড - ৪২ ।
❃মাওলা জাফর আল সাদিক (আঃ) বলেছেন-- ,
"--লানাতুল্লাহ আব্দুর রাহমান ইবনে মুলজাম আল মুরাদি যখন আমির আল মুমিনিন মাওলা আলী ইবনে আবি তালিবের (আঃ) মাথায় আঘাত করে সেই আঘাতটি আকাশে তাঁর (আঃ) ছবিতে ধরা পড়েছিল । ফেরেশতারা সকাল-সন্ধ্যা তাঁর (আঃ) দিকে তাকায় এবং তাঁর (আঃ) হত্যাকারী আব্দুর রাহমান ইবনে মুলজাম আল মুরাদিকে অভিশাপ দেয়--" ।
❃হায় আফসোস ! আমরা এভাবেই রাসুলের (সাঃ) রেসালতের পারিশ্রমিক আদায় করলাম ।
"----তারা আল্লাহর নি‘মাতকে চিনতে পারে, কিন্তু তা সত্ত্বেও সেগুলো অগ্রাহ্য করে, তাদের অধিকাংশই অকৃতজ্ঞ--"!
»---➤ সুরা নাহল/৮৩
➛ইবনে মুলজেম ও মুয়াবিয়া সহ সকল ষড়যন্ত্রীর উপর অবিরাম লানত বর্ষিত হোক।
➛আল্লাহুম্মাাল আ'ন কাতালাহ আমিরেল মুমেনিন মওলা (আ:)
➛সকলের প্রতি একটিই বিশেষ অনুরোধ যে , সাধ্যমত ইমাম আলীর (আঃ) হত্যাকারী এবং হত্যাকারীর সকল পৃষ্ঠপোষকদের প্রতি মন খুলে লানত প্রেরন করুন এবং প্রচন্ড ঘৃনা পোষন করুন ।
»----➤ইয়া ইয়াবনা জাহরা আল মোন্তাজের আল মাহদী (আঃ) আল মাদাদ।
»----➤La Fatah Illa Ali La Saif Illa Zulfikar
»----➤Ya Mawla Ali (A:) Madad »----➤Labbaik Ya Mawla Ali (A:) »----➤As Salamu Alaikum Ya Ameerul Momineen Mawla Ali (AS)
»----➤Alhamdullillazi Zayalna Minal Mutamassikina Bibilayati Amiril Muminin.'
➛আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদাহু ওয়া রাসুলুহ ,
➛আশহাদো আন্না আমিরুল মোমেনিনা ইমামুল মুত্তাকিনা আলীউন ওয়ালী উল্লাহ ।
➛আশহাদো আন্না আমিরল মোমেনিনা ইমামুল মুত্তাকিনা আলীয়াও ওয়া ফাতেমাতু জাহরা ওয়া আবনাউহুম আল মাসুমিন হুজ্জাতআল্লাহ
➛আল্লাহুম্মা সাল্লে আলা মোহাম্মদিউ ওয়া আলে মোহাম্মদ ওয়া আজ্জিললে ওলিয়েকাল ফারাজ।
➛আল্লাহুম্মা লা’আন আউয়ালা জালামা মুহাম্মাদিউ ওয়া আলে মুহাম্মাদ।
➛আলা লানাতুল্লাহি আললাল কাজিবিন ওয়াল মুকাশ্শিররিন ওয়াল নাসেবীন ইলা ইয়াওমাল কিয়ামা।

No comments