পেতে যদি চাও অমূল্য ধন, ঠেকাও তোমার বীর্যের ক্ষরণ।
পেতে যদি চাও অমূল্য ধন, ঠেকাও তোমার বীর্যের ক্ষরণ।
সব সন্দেহ দূর হয়ে জ্ঞানের বাতি জ্বলবে অন্তরে,
যদি আটকে রাখতে পারো সেই ধন দেহের অভ্যন্তরে
বীর্য ধারণ করলে পরে, বীর্যের ক্ষমতা যাবে বেড়ে।
বীর্যের শক্তিতে যাবে তোমার জ্ঞান নয়ন খুলে।
ঈন্দ্রীয়ের মাধ্যমে যা কিছুই জানো, সবকিছুই পড়ে থাকবে তোমার স্মৃতির কোণে
আসবেনা সে জ্ঞান কোনো কাজে, বরং সন্দেহ বাড়বে মনের মাঝে।
তথ্য জানতে গিয়ে বীর্য হারিয়ে,হবে তুমি আরও বোকা।
কামের ফাঁদে পড়ে তুমি বারবার খাবে ধোঁকা!
বীর্য ধারণ করতে গিয়ে, যদি ত্যাগ করো সব কাজ।
তবেও পাবেনা খেতে তুমি পরে, যদিও পাচ্ছ আজ।
তখনও তোমার পেটের জ্বালায় বেঁচে থাকা হবে দায়!
তাই কাজ করো কেবল এতটুকু, যা দেহের প্রয়োজন মেটায়।
এর বাইরে তুমি করবে যত কাজ, বীর্য তোমার হবে ক্ষরণ দেহের ভাজে ভাজ।
বীর্য হল জ্ঞানের উৎস, পূর্ণতার খনি।
অন্যকিছুর দিকে নজর দিলে হারাবে সবখানি ।
যখন করতে চাও কোনো কাজ,
পাওয়া হারানোর হিসেব কষে তারপর করো কাজ।
কোনো কাজ করে যতটুকু বীর্য হারাচ্ছ, বিনিময়ে যদি না পাও তার চেয়ে বেশি,
দূরে থাকো তুমি সেই কাজ থেকে পারো তুমি যত বেশি।
সবকিছুই করো তুমি বীর্যের খরচ কমাতে আর বীর্য বাড়াতে।
বীর্যই তোমায় দেবে সবকিছু, যাকিছু আছে এই ভবে।
বীর্য ধারণে চোখ রাখা ছাড়া নজর দিওয়োনা ভবের জিনিসে।
দাও যদি নজর অন্য কিছুতে, বীর্য হারিয়ে হারাবে তুমি নজর দিয়েছিলে যা কিছুতে।
করতেই হবে যা, সঠিক সময়ে না করে যদি সময় গেলে করো তা,
তবে হারাবে বীর্য অযথা।
তোমার কাজ শুধু বীর্য ধারণ,
বীর্যই মেটাবে তোমার মনের সব প্রয়োজন।
বীর্য ধারণ করে বীর্য যদি বাড়িয়ে যেতে পারো, পূরণ করে দেহের সব প্রয়োজন,
বীর্যই তোমার মন পরিস্কার করবে, মনের আয়নায় পাবে প্রভুর দর্শন।
তোমার মত সুখী হবেনা এই ভবে আর কেউ,
দেহমনে খেলবে সদা প্রেমানন্দের ঢেউ।
তোমায় দেখে হাজার মানুষ হবে প্রেমে মাতাল,
প্রাণের প্রেমে পড়বে তারা, ভালো হবে সবার হাল।
পরম সাধনার আত্মা
No comments