মহানবী ﷺ -এর মু'জিজা
মহানবী ﷺ -এর মু'জিজা
যুদ্ধের শুরুতে মহানবী হযরত মোহাম্মদ ﷺ কুরাইশ বাহিনীর দিকে মুখ করে বললেন, ‘শাহাতিল উজুহ’ অর্থাৎ ওদের চেহারা বিগড়ে যাক। একথা বলেই তিনি কাফির সৈনিকদের প্রতি ধুলোবালি নিক্ষেপ করেন। এ বালি কাফিরদের নাকে মুখে ও চোখে পড়ে। এমনকি ধুলোর কণা ওদের গলায় ডুকে পড়ে। ধুলোর আক্রমণ থেকে কাফির দলের কেউ বাদ যায়নি। তাই আল্লাহপাক বলেন- "(হে মহিমান্বিত হাবীব!) যখন আপনি (তাদের প্রতি নুড়ি পাথর) নিক্ষেপ করেছিলেন, (তা) আপনি নিক্ষেপ করেননি বরং (তা তো) আল্লাহ্ নিক্ষেপ করেছিলেন।" (সূরা : আনফাল, আয়াত : ১৭)।
যুদ্ধের এক পর্যায়ে হযরত ওক্কাশা ইবনে মেহসান আসাদী (রাঃ)-এর তলোয়ার ভেঙে যায়। ওক্কাশা (রাঃ) নবী করীম ﷺ-এর কাছে উপস্থিত হলে তিনি তাকে এক টুকরো শুকনো খেজুরের ডাল দিয়ে বললেন, ওক্কাশা এটি দিয়ে লড়াই করো। ওক্কাশা রাঃ সে ডাল হাতে নিয়ে হেলাতেই তা একটি ধারালো চকচকে তলোয়ারে পরিণত হয়। এরপর তিনি সে তলোয়ার দিয়ে লড়াই করতে লাগলেন। সে তলোয়ারের নাম হয় ‘আওন’ অর্থাৎ সাহায্য। সেটি ওক্কাশার কাছেই ছিল। তিনি বিভিন্ন যুদ্ধে এ তলোয়ার ব্যবহার করতেন। হযরত আবু বকর রঃ'র খেলাফতের সময় ধর্মান্তরিত লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। সে সময়ও এ তলোয়ার তার কাছে ছিল।
এ যুদ্ধে হযরত মুয়ায বিন আমর রাঃ -এর একটি হাত আবু জাহেলের পুত্র ইকরামার তরবারীর আঘাতে দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। তিনি হাতের খণ্ডিত অংশসহ নবী করীম ﷺ-এর খেদমতে উপস্থিত হলেন। হুজুর পাক ﷺ একটু থু থু মুবারক লাগিয়ে খণ্ডিত অংশ সংযুক্ত করে দিলেন। সাথে সাথে হাত জোড়া লেগে গেল। হযরত মুয়ায রাঃ উক্ত হাত নিয়ে সুস্থ অবস্থায় হযরত উসমান রাঃ এর খেলাফতকাল পর্যন্ত বেচে ছিলেন। সোবহানাআল্লাহ!.png)
No comments